Health Care Bangladesh

Hot

Post Top Ad

LightBlog

Post Top Ad

Your Ad Spot

Friday, March 20, 2020

করোনা ভাইরান প্রতিরোধে যা যা করনীয়। কোভিড -১৯

10:26 PM 0
কোভিড-১৯ যা করোনা ভাইরাস নামে পরিচিত - সাম্প্রতিক সময়ে গণমাধ্যমের শিরোনামে প্রাধান্য বিস্তার করেছে। এশিয়ার বিভিন্ন অংশ এবং এর বাইরেও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে এই ভাইরাস। সাধারণ সতর্কতা অবলম্বন করে আপনি এই ভাইরাসটির সংক্রমণ ও বিস্তারের ঝুঁকি কমিয়ে আনতে পারেন।

করোনাভাইরাস কী?

করোনাভাইরাস এমন এক ভাইরাস, যা সাধারণ ফ্লু বা ঠাণ্ডা লাগার মতোই প্রথমে আক্রমণ করে ফুসফুসে। এই ভাইরাস থেকে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা দেখা দেয়। ধীরে ধীরে তা মারাত্মক আকার ধারণ করে। যার থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

কতটা ভয়ংকর এই ভাইরাস?

শ্বাসতন্ত্রের অন্যান্য অসুস্থতার মতো এই ভাইরাসের ক্ষেত্রেও সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা এবং জ্বরসহ হালকা লক্ষণ দেখা দিতে পারে । কিছু মানুষের জন্য এই ভাইরাসের সংক্রমণ মারাত্মক হতে পারে। এর ফলে নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট এবং অর্গান বিপর্যয়ের মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। তবে খুব কম ক্ষেত্রেই এই রোগ মারাত্মক হয়। এই ভাইরাস সংক্রমণের ফলে বয়স্ক ও আগে থেকে অসুস্থ ব্যক্তিদের মারাত্মকভাবে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেশি।

করোনা ভাইরাসের লক্ষণ

করোনাভাইরাসের কিছু প্রাথমিক লক্ষণ রয়েছে। তবে এই লক্ষণগুলো খুবই সাধারণ। সর্দি-কাশি, মাথাব্যথা, নাক দিয়ে পানি পড়া, গলা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট ও জ্বর হয়ে থাকে।

কীভাবে ছড়ায়?
১. এই ভাইরাস একজনের থেকে আরেকজনের মধ্যে ছড়ায়।

২. শারীরিক ঘনিষ্ঠতা এমনকি করমর্দন থেকেও এই রোগ ছড়াতে পারে।

৩. রোগী জিনিস ধরার পর ভালো করে হাত না ধুয়ে চোখ, মুখ, ও নাকে হাত দিলে এই রোগ ছড়াতে পারে।

৪. হাঁচি-কাশি থেকেও এই রোগ ছড়াতে পারে।

কীভাবে প্রতিরোধ করবেন?
১. রোগী কাছ থেকে আসার পর ভালো করে হাত ধুতে হবে।

২. নাক-মুখ ঢেকে হাঁচুন, কাশুন।

৩. ডিম, মাংস ভালো করে রান্না করুন। রোগীর থেকে দূরে থাকুন।

৪. নিয়মিত হাত ধুয়ে পরিচ্ছন্ন রাখুন


ওপরের প্রাথমিক লক্ষ্মণগুলো এক বা একাধিক দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

আমার কি মেডিক্যাল মাস্ক পরা উচিত?

করোনা ভাইরাসসহ অন্যান্য রোগের বিস্তার সীমিত পর্যায়ে রাখতে মেডিক্যাল মাস্ক সাহায্য করে। তবে এটার ব্যবহারই এককভাবে সংক্রমণ হ্রাস করতে যথেষ্ঠ নয়। নিয়মিত হাত ধোয়া এবং সম্ভাব্য সংক্রমিত ব্যক্তির সাথে মেলামেশা না করা এই ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি কমানোর সর্বোত্তম উপায়।

শিশুরা কি ঝুঁকিতে?

যে কোন বয়সের মানুষই এই ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। তবে একটি বিষয় লক্ষ্যণীয় যে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত শিশুদের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। প্রধানত: আগে থেকে অসুস্থ বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাস মারাত্মক হতে পারে।

তবে শহরাঞ্চলের দরিদ্র শিশুদের ক্ষেত্রে এই ভাইরাসের পরোক্ষ প্রভাব রয়েছে। এসব প্রভাবের মধ্যে রয়েছে বিদ্যালয় বন্ধ থাকা, যা সম্প্রতি মঙ্গোলিয়ায় দেখা গেছে।

Read More

Sunday, February 2, 2020

ব্রান কি কেন হয় এবং ব্রনের প্রতিকার ঘরোয়া পদ্বতিতে প্রকৃতিক উপায়

6:09 AM 0
ব্রান কি কেন হয় এবং এর প্রতিকার ঘরোয়া পদ্বতিতে প্রকৃতিক উপায়

ব্রন সমস্যা আমরা তরুনরা প্রায় কম বেশি সবাই ভুগে থাকি। ব্রান সমস্যা তরুনদের মাঝে বেশি দেখা যায়। ব্রান সাধারনত ত্বকের তৈলগ্রহ্নি বা ওয়েল ব্যাকটিরিয়াল মাধ্যমে সংক্রমিত হয়ে ব্রন সমস্যা দেখা যায়। এটি ত্বকে সৌন্দর্য নষ্ট করতে অনেকাংশেই দায়ী। সুস্থ সুন্দর ব্রান হীন ত্বক পেতে আমরা সবাই পছন্দ করি। তাই আমাদের উচিত সধারনত কিছু খাবার পরিত্যাগ কারা এবং নিয়ম মেনে চলা যার মাধ্যমে আমরা ঘরে বসে প্রকিতিক উপায় ব্রান সারিয়ে তুলতে পারি। তাই ঘরে বসে ব্রন দূর করতে হেলথ কেয়ার বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে চিকিৎশক এর কথা অনুযাই কিছু পরামর্শ তুলে ধরা হলো।

ব্রন কি

ব্রন হচ্ছে আমাদের শরীলের ত্বকের ফলিকলের এক প্রকার দীর্ঘমেয়াদী রোগ। সাধারনত মুখমন্ডল গলা বুক পিঠের উপরিভাগে এবংহাতের উপরিভাগে এই রোগটা হয়ে থাকে।এসব স্থানে ছোটো ছোটো ফোঢ়া সিস্টি এমনকি নোডিউল হতে পারে। এ রোগটা সাধারনত মুখমন্ডলেই বেশি হয় বিশেষ করে গালে নাকে কপালে এবং থতিনিতে সবচেয়ে বেশী হয়ে থাকে

ব্রন কেন হয়

মুখের ত্বক নিয়মিত পরিস্কার না করার কারনে ব্রন হয় এটি হলো প্রধান কারন। মেকআপ না তোলা, তৈলাক্ত জিনিস বেশী খাওয়া, পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতায় অনিয়মিত থাকা, যথেষ্ট পরিমানে পানি পান না করা -ব্রন এর কারন।

ব্রনের প্রতিকার

সকালে মুখের ত্বক পরিষ্কার করে গরম পানিতে তুলসি পাতা ছেচে দিবেন। এপর ঐ পানির ভাব মুখে লাগাতে হবে ।  নিয়মিত যথেষ্ট পরিমান পানি খান। আপনার শরীল ভালো থাকবে।

আপনার ত্বকে ব্রন থাকলে দুধ দিয়ে রুপচচা করবেন না।

পুদিনা পাতার পেষ্ট ২০ থেকে ২৫ মিনিট ব্রনের উপর লাগিয়ে রেখে শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলবেন।

নিমপাতা এবং কাচা হলুদের পেষ্ট বানিয়ে মুখে লাগান। এবং শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলবেন।

এসপিরিন গুড়ো করে পানি দিয়ে পেষ্ট তৈরি করে তুলার মধ্যে লগিয়ে এই পেষ্ট সরাসরি ব্রনের মধ্যে ১০ মিনিট রাখুন। এর পর হালকা গরম পানি দিয়ে ধয়ে ফেলুন।

বরফ

গোড়ালি মচকে গেল এর ফোলা কমাতে বরফ কাজ করে। এটি ব্রনের প্রদাহে কামাতেও বেশ কার্যকরি। একটি বরফের ছোট টুকরা পরিষ্কার কাপড়ের মধ্যে নিয়ে এক মিনিটের জন্য ব্রনের মধ্যে রাখুন। এই পব্ধতিতে ব্রনের লাল হওয়া ও ফোলাভাব কমাবে।

লেবুর রস

লেবুর রসের মধ্যে আছে সাইট্রিক এসিড রয়েছে এল এসকোরোবিক এসিড, যা প্রাকৃতিক অ্যান্টিসেপটিক উপাদান, যা ব্রন দূর করতে সাহায্য করবে। একটু তুলোর মধ্যে লেবুর রস নিয়ে ব্রনে লাগান।সারা বাত লাগিয়ে রাখুন ব্রন দূর করতে এই পধ্বতিও বেশ কার্যকরি।

রসুন

রসুনর গন্ধ হয়তো আপনার বিনক্ত লাগতে পারে। কিন্তু এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিসেপটিক ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান, যা ব্রন দূর করতে সাহায্য করে। বসুন দেহের বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধেও উপকারী। এটি ক্যানসার প্রতিরোধ করে। বসুনে রয়েছে এলিসিন ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল উপাদান। রসুন কেটে পানির সঙ্গে পেষ্ট করুন। এরপর ব্রনের মধ্যে পাচঁ মিনিট রেখে মুখ ধুয়ে ফেলুন। মনে রাখবেন বসুন  শুধু ব্রন সারাতে কাজ করে না এর রয়েছে নানা গুন যা আপনাকে যৌন ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে।

মধু

ব্যন দূর করতে মধুও খুব উপকারী। মিষ্টি স্বাদের এই কাবারটি আপনি মাস্কের মতো মুখে লাগাতে পারেন। পাচঁ মিনিট লাগিয়ে বাখুন। এরপর ধুয়ে ফেলুন। এর ভেতর আছে অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি এবং অ্যান্টি সেপটিক উপাদান। তবে নিয়মিত মধু ব্যবাহরে ব্রন   একেবারেই সারবে কি না , সেটা নিয়ে গবেষকারা এখনো দ্বন্দে রয়েছে। তাদের পরামর্শচেষ্টা করুন অপ্রক্রিয়াজাত বা টাটকা মধু ব্যবহার করতে।

Read More

Post Top Ad

Your Ad Spot